আপডেটেড কারিকুলাম নিয়ে স্কিল আপ গাইবান্ধা প্রস্তুত আপনার ক্যারিয়ার গড়ার অগ্রযাত্রায়।
আপনি প্রস্তুত তো ?
টপ রেটেড আইটি
সঠিক আইটি প্রশিক্ষণ এর জন্য Skill UP Gaibandha . চলছে Web Design and Development With Ai এনরোলমেন্ট
কেবল ক্লাস নয়, আমরা সর্বদা প্রস্তুত শিক্ষার্থীদের যেকোনো দরকারে
কোর্স শেষে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা অনুসারে বিভিন্ন কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপ ও জবের সুযোগ করে দেওয়া হয়।
কোর্স চলাকালীন বা শেষ হওয়ার পর যেকোনো সমস্যায় মেন্টরদের সহযোগিতা পাবেন সবসময়।
থিওরির পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখার জন্য রয়েছে রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট করার সুযোগ।
যেকোনো জটিল সমস্যা সমাধানে আমাদের টিম সরাসরি জুম লাইভে যুক্ত হয়ে ২৪/৭ সাহায্য করবে।
৳১০,০০০+ মূল্যমানের প্রিমিয়াম বোনাস কিট সম্পূর্ণ ফ্রি!
৳৫,০০০+ মূল্যের থিম, প্লাগইন, পিএসডি টেমপ্লেট ও রিসোর্স ফাইল সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়া হবে।
ফাইভার ও আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে দ্রুত কাজ পাওয়ার জন্য এক্সক্লুসিভ ফ্রিল্যান্সিং গাইড বুক।
প্রতি সপ্তাহে সরাসরি মেন্টরের সাথে জুম কলে যুক্ত হয়ে ওয়ান-টু-ওয়ান প্রজেক্ট ফিডব্যাক ও রিভিও।
অনলাইন ভেরিফিকেশন লিংক ও ইউনিক আইডি সহ ভ্যালুড সার্টিফিকেট যা আপনার সিভিতে যোগ করবে বাড়তি মান।
সঠিক ইনস্টিটিউট বেছে নেওয়া ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত — এখানে জানুন আমরা কীভাবে আলাদা।
আমাদের সকল মেন্টর বাস্তব শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। থিওরির বাইরে সত্যিকারের বাস্তব দক্ষতা শিখুন।
কোর্স সম্পন্ন করার পরে যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।
বাস্তব প্রজেক্টে কাজ করে শিখুন। প্রতিটি কোর্সে রয়েছে ক্যাপস্টোন প্রজেক্ট ও পোর্টফোলিও তৈরির সুযোগ।
শিল্প-স্বীকৃত ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা আপনার সিভি ও লিংকডইন প্রোফাইলে মূল্য যোগ করবে।
কোর্স শেষ হলেও সাপোর্ট শেষ হয় না। যেকোনো সমস্যায় মেন্টর টিম সর্বদা আপনার পাশে থাকবে।
কোর্স চলাকালীন যেকোনো কোডিং সমস্যা বা প্রশ্নের উত্তর ২৪/৭ তাৎক্ষণিকভাবে পেতে আমাদের ডেডিকেটেড এআই চ্যাটবট সুবিধা।
আপনার মনে যেসব প্রশ্ন আসতে পারে তার উত্তর নিচে দেওয়া হয়েছে
না, একেবারে নতুনদের জন্যও আমাদের কোর্স ডিজাইন করা হয়েছে। আমরা একদম শুরু থেকে হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদান করি। শুধু শেখার ইচ্ছা থাকলেই যথেষ্ট।
কোর্সের মেয়াদ বিষয় অনুযায়ী ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত হয়। সপ্তাহে ৩-৫ দিন অনলাইন এর মাধ্যমে ক্লাস পরিচালিত হয়। মিস করলে রেকর্ডেড ভিডিও পাওয়া যায়।
হ্যাঁ, আমাদের সার্টিফিকেটে একটি অনন্য ভেরিফিকেশন আইডি ও QR কোড থাকে যা যেকোনো নিয়োগকর্তা অনলাইনে যাচাই করতে পারবেন। এটি লোকাল ও ফ্রিল্যান্স উভয় ক্ষেত্রেই মূল্যবান।
আমরা নিশ্চিত চাকরির প্রতিশ্রুতি দিই না, তবে সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জব রেফারেন্স, ইন্টার্নশিপ ও ফ্রিল্যান্সিং সহায়তা প্রদান করা হয়। আমাদের শিক্ষার্থীদের সফলতাই এর বড় প্রমাণ।
হ্যাঁ, আমাদের সকল কোর্স অনলাইন এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে লাইভ ক্লাসে যোগ দিতে পারবেন এবং মিস করলে রেকর্ডেড ভিডিও দেখতে পারবেন।
আরও প্রশ্ন আছে?
আমাদের সাথে কথা বলুনআমাদের কোর্স শুধু সার্টিফিকেট নয় — বাস্তব দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দেয়।
অভিজ্ঞ মেন্টরের গাইডে শিল্পের চাহিদামতো দক্ষতা অর্জন করুন। থিওরি ও প্র্যাকটিস একসাথে শিখুন।
বাস্তব জীবনের প্রজেক্টে কাজ করুন এবং একটি শক্তিশালী পোর্টফোলিও তৈরি করুন যা নিয়োগকর্তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।
QR কোড ও ইউনিক আইডি সহ শিল্প-স্বীকৃত ডিজিটাল সার্টিফিকেট পান যা আপনার সিভি ও প্রোফাইলে মূল্য যোগ করবে।
জব প্লেসমেন্ট সহায়তা, ইন্টার্নশিপ সুযোগ ও আমাদের পেশাদার নেটওয়ার্কের সাহায্যে আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার শুরু করুন।
আমাদের সম্পর্কে তারা যা বলছে
ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার, Fiverr
"স্কিল আপ গাইবান্ধায় গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স করার আগে আমি বাসায় বসে থাকতাম। কোর্সটি শেষ করার মাত্র ২ মাসের মধ্যে Fiverr-এ আমার প্রথম অর্ডার আসে। এখন প্রতি মাসে ২৫,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকা আয় করছি। মেন্টরদের গাইডেন্স এবং হাতে-কলমে শেখার সুযোগ সত্যিই অসাধারণ ছিল। গাইবান্ধায় বসে এটা স্বপ্নেও ভাবিনি।"
জুনিয়র ওয়েব ডেভেলপার, SoftTech BD
"Web Development with AI কোর্সে যোগ দেওয়ার পর আমার জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। PHP, MySQL এবং JavaScript শেখার পাশাপাশি AI টুল ব্যবহার করে কীভাবে দ্রুত কাজ করা যায় তা শিখেছি। কোর্স শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই ঢাকার একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি পেয়েছি। মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকা। স্কিল আপকে অনেক ধন্যবাদ!"
ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট, Self-Employed
"আমি মাত্র এইচএসসি পাস করেছিলাম, বড় কোনো ডিগ্রি নেই। কিন্তু স্কিল আপের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে এখন আমি নিজেই ৫টি ব্যবসাকে সার্ভিস দিচ্ছি। Facebook Ads, SEO এবং Content Marketing শিখে প্রতি মাসে প্রায় ৪০,০০০ টাকা আয় হচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্ম না থাকলে এটা সম্ভব হতো না। এখন অনেক স্বাবলম্বী।"
আমাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রম এবং ঘোষণা
বর্তমান যুগে তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরিতে আইটি (IT) প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। তবে গাইবান্ধা জেলার বিশাল এক অংশ এখনো এই সুবিধার বাইরে রয়ে গেছে। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামের শিক্ষিত বেকারদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ এখন বিলাসিতা নয়, বরং টিকে থাকার হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন সবার জন্য আইটি প্রশিক্ষণ প্রয়োজন? স্থানীয় বিশেষজ্ঞ ও তরুণদের মতে, গাইবান্ধার সার্বিক উন্নয়নে আইটি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম: বেকারত্ব দূরীকরণ: জেলার হাজার হাজার স্নাতক সম্পন্ন করা তরুণ চাকরির পেছনে না ছুটে আইটি প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং বা ঘরে বসে আয়ের সুযোগ পেতে পারে। কৃষি ও প্রযুক্তির সমন্বয়: গাইবান্ধার প্রধান চালিকাশক্তি কৃষি। আধুনিক আইটি প্রশিক্ষণ থাকলে কৃষকরা সরাসরি অনলাইনে ফসলের বাজারদর জানা ও ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবে। সরকারি সেবায় প্রবেশাধিকার: বর্তমান সময়ে জমির পর্চা থেকে শুরু করে জন্ম নিবন্ধন—সবই অনলাইন ভিত্তিক। সাধারণ মানুষের আইটি জ্ঞান থাকলে তারা দালালের হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে। বৈদেশিক অভিবাসন: গাইবান্ধা থেকে প্রতিবছর অনেক মানুষ বিদেশে যায়। ড্রাইভিং বা সাধারণ শ্রমের পাশাপাশি কম্পিউটার জ্ঞান থাকলে তারা বিদেশের মাটিতে আরও সম্মানজনক ও বেশি বেতনের চাকরি পাওয়ার সুযোগ পায়। বর্তমান পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জ যদিও জেলায় 'ফ্রিল্যান্সিং ফর ফিউচার (3F)' এর মতো সরকারি কিছু প্রকল্প এবং গাইবান্ধা টিটিসি ও উপজেলা আইসিটি সেন্টারগুলো কাজ করছে, তবে তা চাহিদার তুলনায় খুবই সামান্য। ১. প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভাব: অধিকাংশ উন্নত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শহরকেন্দ্রিক হওয়ায় গ্রামের মানুষ এর সুফল পাচ্ছে না। ২. উচ্চ ফি ও সরঞ্জাম: ল্যাপটপ বা ভালো ইন্টারনেটের খরচ বহন করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হচ্ছে না। ৩. সচেতনতার অভাব: অনেকেই এখনো মনে করেন আইটি প্রশিক্ষণ শুধু বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য, যা একটি ভুল ধারণা।
নতুন কোর্স, ক্যারিয়ার টিপস এবং এক্সক্লুসিভ অফার সম্পর্কে আপডেট পেতে আপনার ইমেইল দিয়ে যুক্ত থাকুন।
আমরা স্প্যাম করি না। আপনি যেকোনো সময় আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।
আমাদের কোর্স এবং গাইবান্ধা শাখা সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাদি